June 19, 2021, 2:50 pm

creativesoftbd.com

আর নেই শাহীন ব্যাপারী

ঢাকা : চিকিৎসকদের শত চেষ্টার পরও বাঁচানো গেল না নেপালে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় আহত শাহীন ব্যাপারীকে। সোমবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, বিকেল পৌনে ৫টার দিকে শাহীন ব্যাপারী মারা যান।

বার্ন ইউনিট সূত্র সারাবাংলাকে জানায়, বিকেলে শাহীন ব্যাপারীর ইসিজি করা হয়। ইসিজিতে তার হৃদযন্ত্র নিষ্ক্রিয় ছিল। এছাড়া আইসিইউতে থাকাকালে তার চিকিৎসায় ব্যবহৃত মেশিন লাগিয়ে শাহীন ব্যাপারীর কোনো রেসপন্স পাওয়া যাচ্ছিল না।

শাহীন ব্যাপারীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যে ডেথ সার্টিফিকেট লেখা হবে।

গত রোববার (১৮ মার্চ) শাহীন ব্যাপারীকে নেপাল থেকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর বার্ন ইউনিটের তত্ত্বাবধানে ২১ মার্চ প্রথম দফায় ও ২৫ মার্চ দ্বিতীয় দফায় তার অস্ত্রোপচার করা হয়। দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচারের পর শাহীন ব্যাপারীর অবস্থার অবনতি হতে থাকে।

উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হন শাহীন ব্যাপারী। তার শরীরের ৩২ শতাংশ পুড়ে গেছে। এছাড়া কোথাও কোথাও ডিপবার্ন রয়েছে।

সামন্তলাল সেন বলেন, ‘অগ্নিদগ্ধ শাহীনের শরীরে ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়েছে। নেপালে থাকা অবস্থাতেই এই ইনফেকশন ধরা পড়ে। এ অবস্থাতেই নেপাল থেকে এনে তাকে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।’

গত রোববার (১৮ মার্চ) শাহীন ব্যাপারীকে নেপাল থেকে ঢাকায় আনা হয়। এ দিন দুপুর ৩টার দিকে তাকে নিয়ে আসা বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ৪৯ জন মারা যান। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি ২৬ জন। আহতদের মধ্যে ৭ জনকে পর্যায়ক্রমে দেশে নিয়ে আসা হয়।

গত ১২ মার্চ ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস-২১১ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় পতিত হয়। ৬৭ যাত্রী ও চার ক্রুসহ ওইদিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে উড়োজাহাজটি বিমানবন্দরের পাশের একটি ফুটবল মাঠে বিধ্বস্ত হয়। এতে ৫১ যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে।

এর মধ্যে ২৬ বাংলাদেশি নিহত হন নেপালেই। আর আহত হন ১০ বাংলাদেশি।

creativesoftbd.com

     আজকের খবর বিডি কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

  

জরুরি সেবা ফোন নাম্বার