June 20, 2021, 4:56 pm

creativesoftbd.com

জামিন পেতে হবে খালেদাকে আরও ৬ মামলায়

ঢাকা: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সর্বোচ্চ আদালত জামিন দিলেও এখনই কারামুক্তি পাচ্ছেন না বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

এ মামলায় জামিনে মুক্ত হতে বাধা না থাকলেও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরও বেশ কিছু মামলা থাকায় সহসাই মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি।

খালেদা জিয়ার মামলা প্রসঙ্গে তাদের আইনজীবীরা জানিয়েছেন,খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সর্বমোট মামলার সংখ্যা প্রায় ৩৮টি। এর মধ্যে কুমিল্লার তিনটি মামলা, ঢাকার দুটি, নড়াইলের একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এ ছয়টি মামলায় খাালেদা জিয়াকে জামিন নিতে হবে।

খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তার আইনজীবী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, “কিছুটা বাধা আছে। কারণ সরকার নানা কৌশলে চেষ্টা করবে তার মুক্তিটা বিলম্বিত করার জন্য। এ কারনেই নিচের আদালতের কতগুলো মামলায় তাকে আসামি দেখানো হয়েছে। সে মামলাগুলোতে তার জন্য আমাদের জামিন নিতে হবে। সেই জামিন নিতে যতটুকু সময় লাগে সেই সময়টুকু পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা খুব দ্রুত চেষ্টা করছি। আপিল বিভাগ যেহেতু তার জামিন বহাল রেখে দিয়েছেন, এখন নিম্ন আদালতে জামিন পেতে আর খুব বেশি অসুবিধাহবে না। সুতরাং খুব শিগগির আমরা চেষ্টা করব ওই মামলাগুলোতে ওনার (খালেদা জিয়া) জামিন নিতে। কারণ আমাদের তো একটা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেএগুলো সম্পন্ন করতে হবে। সুতরাং সেই জামিনগুলো পাওয়ার পরে খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন এবং খুব শিগগির ফিরে আসবেন ’

এ বিষয়ে সাবেক আইন মন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ  বলেন, এই মামলায় যেহেতু সর্বোচ্চ আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন। সে ক্ষেত্রে এই রায়ের কপি জেলে গেটে নিয়ে গেলে তিনি মুক্তি পাবেন। কিন্তু যদি অন্য মামলায় তাকে আটক দেখানো হয় তাহলে সেসব মামলা থেকেও তাকে জামিন নিতে হবে। তবেই তিনি মুক্তি লাভ করবেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে খালেদা জিয়ার করা আপিল নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বুধবার (১৬ মে) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এর নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। বেঞ্চের অপর বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

গত ৯ মে এ মামলায় দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে ১৫ মে মঙ্গলবার দিন ঠিক করে দেন আপিল বিভাগ।

এর আগে ৮ মে এ মামলার শুনানি শুরু হয়। প্রথম দিনে দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। আর খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ জে মোহাম্মদ আলী, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও অ্যাডভোকটে জয়নুল আবেদীনসহ বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।

গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে চারযুক্তিতে চার মাসের জামিন দেন। ওই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ নিয়মিত লিভ টু আপিল দায়েরকরেন। গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়। এরপর থেকেতিনি কারাগারে আছেন।

creativesoftbd.com

     আজকের খবর বিডি কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

  

জরুরি সেবা ফোন নাম্বার