June 17, 2021, 10:41 pm

creativesoftbd.com

নিরব ঘাতক কোলেস্টেরল থেকে সাবধান

নিরব ঘাতক কোলেস্টেরল থেকে সাবধান

কোলেস্টেরল কী?

কোলেস্টেরল হচ্ছে এক ধরনের চর্বি। এটি কয়েক ধরনের হয়ে থাকে ট্রাইগ্লিসারাইড, এলডিএল, এইচডিএল এবং টোটাল কোলেস্টরল। এর মধ্যে একটা হলো উপকারী। আর তিনটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

আমরা অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার সাহেব সবাইকে কমন একটা টেস্ট দেয় সেটা হলো কোলেস্টরল চেক-আপ
আমাদের শরীরে দু ধরনের কোলস্টরেল থাকে তা হলো HDLঅর্থাৎ ভালো কোলেস্টরল এবং LDL অর্থাৎ খারাপ কোলেস্টেরল ।
আমাদের শরীরে LDL বা খারাপ কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে তা রক্ত চলাচলের ধমনী বা শীরায় চারদিকে একধরনের আস্তর বা plaque তৈরী করে ফলে আমাদের শরীরে রক্ত চলাচল বিঘ্ন হয় এবং সঠিকভাবে রক্তচলাচল করতে পারেনা।

রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা ১৫০-২০০ মিলি গ্রাম/১০০ মিলিলিটার। এর বেশি হলেই তা নিয়ন্ত্রন করতে বলা হয়। তা না হলে এটি ভয়ানক হৃদরোগের কারন হয়ে দাঁড়ায়।

ধমনির মধ্য দিয়ে অধিক ঘনত্বে রক্ত প্রবাহিত হবার সময় ধমনি গাত্রে চর্বির আস্তারন তৈরী হয়।

উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরলের কারনে রক্তনালীর প্রাচীরে প্লাক জমা হয় এবং রক্তনালী সরু হয়ে যায়। এতে করে রক্তে অক্সিজেন ও পুষ্টি উপাদান সরবরাহ ব্যাহত হয়।ধমনিতে রক্ত জমাট বাধতে শুরু করে ও রক্ত চাপ বেড়ে যায়, যা স্ট্রোক এর কারন।

করনারী ধমনিতে এই অবস্থার সৃষ্টি হলে হৃদপিন্ড প্রয়োজনীয় উপাদান ও অক্সিজেন থেকে বঞ্চিত হয় এবং দুর্বল হয়ে পরে।

কোলেস্টেরলের উৎসঃ

এবার আসুন জেনে নেই, এই কোলেস্টেরলের উৎস সম্পর্কে। কোলেস্টেরল শুধুমাত্র প্রানী কোষে পাওয়া যায়। যার অর্থ এর কোনো উদ্ভিজ্জ উৎস নেই। প্রধানত স্নেহ বহুল খাদ্যে কোলেস্টেরল এর পরিমান বেশি থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যে কি পরিমান কোলেস্টেরল পাওয়া যেতে পারে তা এক নজরে দেখে নেই চলুন –

খাদ্য – কোলেস্টেরল

মগজ – ২০০০ মিলি গ্রাম/১০০ গ্রাম

যকৃত – ৩০০ মিলি গ্রাম/১০০ গ্রাম

ঘি – ৩১০ মিলি গ্রাম/১০০ গ্রাম

চিংড়ি মাছ – ১২৫ মিলি গ্রাম/১০০ গ্রাম

গরুর মাংস – ৯০মিলি গ্রাম /১০০গ্রাম

খাসির মাংস – ৬৫ মিলি গ্রাম/১০০ গ্রাম

কোলেস্টেরল এর কারনে যে ধরনের সমস্যার সৃস্টি হতে পারে ।

১ হাইব্লাডপেসার
২ ব্রেন স্ট্রোক
৩ হার্ড স্ট্রোক
৪ যৌন দুর্বলতা
৫ ঠিক ঘুম না হওয়া

কিভাবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়ঃ

এ ক্ষেত্রে আমাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে। বিশেষ করে লাল মাংস, খাসির মাংস, গরুর মাংস এগুলো এড়িয়ে যেতে হবে। বেশি শাক-সবজি এবং মাছ বেশি করে খেতে হবে। আর নিয়মিত হাঁটতে হবে। ডায়াবেটিস অথবা উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। আর খারাপ অভ্যাস যেমন ধূমপান এবং মদ্যপান এড়িয়ে চলতে হবে।ডাক্তারের পরামর্শে সঠিক ঔযধ গ্রহন করতে হবে ।

creativesoftbd.com

     আজকের খবর বিডি কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

  

জরুরি সেবা ফোন নাম্বার