June 17, 2021, 1:34 pm

creativesoftbd.com

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় প্রশাসনের নজরদারির কারণে নৌকায় বাল্যবিয়ে

আজকের খবর বিডি.কম ডেস্কঃ-          বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে প্রশাসনের নজরদারির কারণে শেষ পর্যন্ত নৌকায় বসে বর-কনের বিয়ে পরিয়েছেন পুরোহিত। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড় বাশাইল গ্রামের জ্যোতিন্দ্র নাথ দাসের মেয়ে ও বাশাইল বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুক্তা রানী দাস(বৈশাখি) এর সাথে একই উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের পূর্ণ চন্দ্র গাইনের ছেলে প্রশান্ত গাইনের সাথে পারিবারিকভাবে অনেক দিন থেকেই বিয়ের কথা চলে আসছিল। অতি সম্প্রতি কনের বাড়িতে বাল্য বিয়ের আয়োজন শুনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল স্থানীয় ইউপি সদস্যকে ডেকে বাল্য বিয়ে বন্ধ করান।

গতকাল বরের বাড়িতে বসে পুরোহিত দিয়ে সামাজিকভাবে বিয়ের খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল ওই এলাকার ইউপি সদস্য সুভাষ ভক্তকে ফোন করে বাল্য বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দেন। ইউপি সদস্য সুভাষ ভক্ত বরের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের আয়োজন দেখতে পেয়ে নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করেন। ঘটনা জানাজানি হলে দুই পরিবারের ঘনিষ্ট লোকজন বর এবং কনেকে নৌকায় উঠিয়ে বিলের মধ্যে নিয়ে গোধূলী লগ্নে (সন্ধ্যায়) পুরোহিত দিয়ে বিয়ে পড়ানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশ্রাফ আহমেদ রাসেল বলেন, বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে তিনি ওই এলাকার ইউপি সদস্যকে পাঠিয়েছেন। বাল্য বিয়ের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আগৈলঝাড়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতাবরিশালের আগৈলঝাড়ায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাগধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুরান চন্দ্র সরকার (শীল) ও তার দুই ভাইকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ প্রবাসী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এঘটনায় ওই এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পশ্চিম বাগধা গ্রামের মৃত জিতেন্দ্রনাথ হালদারের ছেলে প্রবাসী বিমল হালদার এর সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতিবেশি ননী শীল, ধীরেন শীল এর সাথে জায়গা জমির বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ আগস্ট রাতে বিমলের ঘরের তালা ভেঙ্গে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ঘরে প্রবেশ করে বিমল হালদার (৭০) ও তার স্ত্রী আলোমতি হালদার (৬৫) কে মারধর করে।

এঘটনায় বিমল হালদারের স্ত্রী আলোমতি হালদার বাদী হয়ে ঘটনার ১৩দিন পরে ৮ সেপ্টেম্বর মারধর ও ভয়-ভীতির অভিযোগ এনে ননী শীল, ধীরেন শীল ও তার ভাই বাগধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জুরান চন্দ্র সরকার (শীল)কে আসামী করে আগৈলঝাড়া থানায় মামলা দায়ের করে। মিথ্যা মামলা দায়েরের পরই এলাকায় উত্তেজনা ও ক্ষোভ দেখা দেয়। মামলায় চারজন স্বাক্ষী মানা হলেও ১নং স্বাক্ষী বাদীর স্বামী প্রবাসী বিমল হালদার। অন্য স্বাক্ষী স্থানীয় মোশারেফ সরদার, কাইউম তালুকদার ও লিয়াকত আলী খলিফা তারা এই মামলার বিষয়ে কিছুই জানেননা বলে সাংবাদিকদের জানান। স্থানীয় ইউপি সদস্য মিন্টু মিয়া ও প্রাক্তন ইউপি সদস্য আঃ রহিম সরদার মামলাটি ভিত্তিহীন বলে জানান।

creativesoftbd.com

     আজকের খবর বিডি কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

  

জরুরি সেবা ফোন নাম্বার