🔴 ব্রেকিং নিউজ: আজকের খবর বিডি - সর্বশেষ আপডেট জানতে আমাদের সাথেই থাকুন | গাজীপুরসহ সারাদেশের খবর দ্রুত পান
টঙ্গীতে সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক বিচারকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির অভিযোগ এবং পরবর্তীতে প্রত্যাহার - সত্য প্রকাশে আপোষহীন মাধ্যম

টঙ্গীতে সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক বিচারকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির অভিযোগ এবং পরবর্তীতে প্রত্যাহার


প্রকাশের সময় : জুলাই ২৮, ২০২৫, ২:২৭ পূর্বাহ্ন ০
টঙ্গীতে সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক বিচারকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির অভিযোগ এবং পরবর্তীতে প্রত্যাহার

বিশেষ প্রতিবেদনঃ  গাজীপুর | ২৮ জুলাই ২০২৫

গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে সামাজিক বিরোধ মীমাংসার এক পর্যায়ে সাবেক কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগ আনেন শিরিন আক্তার নামে এক নারী। তবে অভিযোগ দায়েরের একদিনের মাথায় তিনি তা লিখিতভাবে প্রত্যাহার করেন এবং ঘটনাটিকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বলে স্বীকার করেন।

শিরিন আক্তার দাবি করেছিলেন, পৈতৃকসূত্রে পাওয়া ৫ কাঠা জমি বিক্রির সময় বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং এক লাখ টাকা আদায় করার পর বাকির জন্য হয়রানি শুরু করেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর তাঁর বাড়িতে জাহাঙ্গীর আলম দেশীয় অস্ত্রসহ দলবল নিয়ে হামলা চালান এবং তাঁকে ও তাঁর স্বামী যুবদল নেতা আব্দুল কাদেরকে মারধর করেন।

অভিযোগের পরপরই শিরিন আক্তার টঙ্গী পশ্চিম থানায় এবং গাজীপুর সেনা ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ করেন, যা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

তবে পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের হস্তক্ষেপে বিষয়টি আপোষে নিষ্পত্তি হয়। পরদিন শনিবার সন্ধ্যায় থানায় গিয়ে শিরিন আক্তার লিখিতভাবে অভিযোগ প্রত্যাহার করেন এবং বলেন, “বিবাদীরা আমার আত্মীয়, ভুল বোঝাবুঝির কারণে আমি অভিযোগ করেছিলাম। এখন আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছি, তাঁদের বিরুদ্ধে আমার আর কোনো অভিযোগ নেই।”

অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়ে বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ঘটনার দিন আমরা স্থানীয়ভাবে একটি পারিবারিক বিরোধ মীমাংসা করেছি। কাউকে মারধর বা চাঁদার বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল, যা পরবর্তীতে বুঝতে পেরে নিজেরাই তুলে নিয়েছেন।”

ঘটনার বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসকান্দার হাবিবুর রহমান জানান, “লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা তদন্ত শুরু করি। পরে বাদী অভিযোগ প্রত্যাহার করেছেন। বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধান হয়েছে।”

স্থানীয়ভাবে জানা যায়, অভিযুক্ত ও অভিযোগকারী পক্ষের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে এবং জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরেই মূলত এই অভিযোগের জন্ম হয়। তবে বিষয়টি সামাজিক উদ্যোগে সমাধান হওয়ায় দুই পক্ষ এখন শান্তিপূর্ণ অবস্থানে ফিরেছে।