আজকের খবর বিডি ডেস্কঃ

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপেই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল তিনবার মুখোমুখি হয়েছিল, যার মধ্যে ছিল ফাইনালও। সেই আসরে মাঠের ভেতরে ও বাইরে উত্তেজনা, বিতর্ক এবং অখেলোয়াড়সুলভ আচরণের ঘটনা ঘটে। ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগার সঙ্গে করমর্দন এড়িয়ে যান—যা পরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
নারী ক্রিকেটেও দেখা যায় একই দৃশ্য। কলম্বোতে অনুষ্ঠিত নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা ও ভারতের হারমানপ্রীত কৌর ম্যাচ শেষে করমর্দন না করেই মাঠ ছাড়েন।
আইসিসির “বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য” নিয়েই ক্ষুব্ধ অ্যাথারটন
*দ্য টাইমস*-এ লেখা নিজের কলামে অ্যাথারটন বলেন, “আইসিসি’র সূচি তৈরির পেছনে স্পষ্ট বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক উদ্দেশ্য কাজ করছে। ২০১৩ সাল থেকে অনুষ্ঠিত সব ১১টি আইসিসি ইভেন্টেই ভারত ও পাকিস্তান গ্রুপ পর্বে মুখোমুখি হয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, “এই ম্যাচের বিরলতা একে বিশাল অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত করেছে। ২০২৩-২০২৭ মেয়াদের জন্য আইসিসি টুর্নামেন্ট সম্প্রচার অধিকারমূল্য প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।”
অ্যাথারটন মনে করেন, দ্বিপাক্ষিক সিরিজের আর্থিক গুরুত্ব কমে যাওয়ায় এখন আইসিসি টুর্নামেন্টগুলোর উপর নির্ভর করছে আয়-রোজগার, আর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচই এর মূল আকর্ষণ।
“খেলাকে রাজনীতির অস্ত্রে পরিণত করা হচ্ছে”
অ্যাথারটন বলেন, “একসময় ক্রিকেট ছিল কূটনীতির বাহন, কিন্তু এখন এটি পরিণত হয়েছে রাজনৈতিক ও আবেগীয় প্রদর্শনের প্রতীক হিসেবে। শুধুমাত্র অর্থনৈতিক স্বার্থে টুর্নামেন্টের সূচি পরিবর্তন করা খেলাধুলার মান নষ্ট করছে।”
আরো জানুন
তিনি আইসিসিকে আহ্বান জানান ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টে ড্র প্রক্রিয়া প্রকাশ্যে আনার জন্য।
“পরবর্তী সম্প্রচার চক্রে ড্র প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হওয়া উচিত। আর যদি ভারত-পাকিস্তান প্রতিবার মুখোমুখি না হয়, তাতে কোনো ক্ষতি নেই,” মন্তব্য করেন সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
📌 **Source:** The Times (UK)
📅 **প্রকাশিত:** অক্টোবর ২০২৫
✍️ **রিপোর্ট:** স্পোর্টস ডেস্ক, আজকের খবর বিডি