🔴 ব্রেকিং নিউজ: আজকের খবর বিডি - সর্বশেষ আপডেট জানতে আমাদের সাথেই থাকুন | গাজীপুরসহ সারাদেশের খবর দ্রুত পান
তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে নিম্নআয়ের মানুষের মুখে ঈদের হাসি - সত্য প্রকাশে আপোষহীন মাধ্যম

তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে নিম্নআয়ের মানুষের মুখে ঈদের হাসি


প্রকাশের সময় : মার্চ ১০, ২০২৬, ৯:৫৬ পূর্বাহ্ন ০
তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে নিম্নআয়ের মানুষের মুখে ঈদের হাসি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর কড়াইল বস্তি ও মহাখালী এলাকার নিম্নআয়ের মানুষের মুখে এখন ঈদের আগাম আনন্দের হাসি। বহু প্রতীক্ষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই অনেক সুবিধাভোগীর মোবাইল অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গেছে সরকারি সহায়তার ২,৫০০ টাকা।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে। সেখানে উপস্থিত অনেক সুবিধাভোগী জানান, কার্ড হাতে পাওয়ার আগেই তাদের মোবাইলে সরকারি সহায়তার টাকা জমা হয়েছে বলে বার্তা এসেছে। এতে তারা যেমন বিস্মিত হয়েছেন, তেমনি সরকারের এই উদ্যোগে স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

সুবিধাভোগীদের মতে, ঈদকে সামনে রেখে এই অর্থ সহায়তা তাদের পরিবারের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও দৈনন্দিন খরচ মেটাতে বড় ধরনের সহায়তা করবে। অনেকেই বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কথা দিয়েছিলেন, আজ তার বাস্তব প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি।”

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এবারের তালিকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক (পাইলট) প্রকল্প হিসেবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং কয়েকটি নির্বাচিত ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই ডিজিটাল সেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকার বলছে, প্রকৃত দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দিতে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

এদিকে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কথাও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তালিকা প্রণয়ন ও অর্থ বিতরণে কোনো ধরনের রাজনৈতিক পক্ষপাত বা দলীয় প্রভাব রাখা হয়নি বলেও দাবি করা হয়েছে।

সুবিধাভোগীদের অনেকেই মনে করছেন, এই উদ্যোগ দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে কার্যক্রমটি বিস্তৃত করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সরকারের এই উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, বরং নিম্নআয়ের মানুষের প্রতি দায়িত্বশীলতার একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

 

 

 

 

 

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর কড়াইল বস্তি ও মহাখালী এলাকার নিম্নআয়ের মানুষের মুখে এখন ঈদের আগাম আনন্দের হাসি। বহু প্রতীক্ষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই অনেক সুবিধাভোগীর মোবাইল অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গেছে সরকারি সহায়তার ২,৫০০ টাকা।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি কলোনি মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে। সেখানে উপস্থিত অনেক সুবিধাভোগী জানান, কার্ড হাতে পাওয়ার আগেই তাদের মোবাইলে সরকারি সহায়তার টাকা জমা হয়েছে বলে বার্তা এসেছে। এতে তারা যেমন বিস্মিত হয়েছেন, তেমনি সরকারের এই উদ্যোগে স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

সুবিধাভোগীদের মতে, ঈদকে সামনে রেখে এই অর্থ সহায়তা তাদের পরিবারের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও দৈনন্দিন খরচ মেটাতে বড় ধরনের সহায়তা করবে। অনেকেই বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে কথা দিয়েছিলেন, আজ তার বাস্তব প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি।”

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এবারের তালিকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক (পাইলট) প্রকল্প হিসেবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং কয়েকটি নির্বাচিত ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই ডিজিটাল সেবা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকার বলছে, প্রকৃত দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দিতে এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

এদিকে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কথাও জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তালিকা প্রণয়ন ও অর্থ বিতরণে কোনো ধরনের রাজনৈতিক পক্ষপাত বা দলীয় প্রভাব রাখা হয়নি বলেও দাবি করা হয়েছে।

সুবিধাভোগীদের অনেকেই মনে করছেন, এই উদ্যোগ দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে কার্যক্রমটি বিস্তৃত করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সরকারের এই উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, বরং নিম্নআয়ের মানুষের প্রতি দায়িত্বশীলতার একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছে।